Contact us to get featured in Entrepreneurs Magazine TSM | Call: 01684722205

কানাডা, আমেরিকা, লন্ডন, অস্ট্রেলিয়া, ইউকের মত ৭-৮ টা দেশে আমার হাতের তৈরি গহনা গিয়েছে|Rabeya Maruf

রাবেয়া মারুফ,
ঝিনাইদাহ এর মেয়ে। থাকি বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ উপজেলাতে আর সেটা হাজবেন্ডের পোস্টিং এর জন্য। (সে বিসিএস ক্যাডার।)

মূলত উদ্যোক্তা জীবন মোরেলগঞ্জ বাগেরহাট থেকেই শুরু। আমার পড়ালেখা ফার্মেসিতে বি ফার্ম এম ফার্ম করেছি। এম ফার্ম করতে করতেই ইনসেপটা তে চাকরি হয়ে যায়। তার পর বিয়ে। বেবি হওয়ায় আর চাকরি করা হয়নি। চাকরি ছেড়ে চলে আসি বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা তে।

বেবি কে নিয়ে নতুন জায়গায় ভালোই লাগতো। তারপরও নিজের পড়ালেখা চাকরি সবকিছু ছেড়ে এসেছি ভেবে খারাপ লাগতো। তবে মনে খুব ইচ্ছা ছিল কিছু একটা করব। যেহেতু হাজবেন্ডের ট্রান্সফারের চাকরি, সেহেতু পুরা বাংলাদেশ ঘোরা লাগবে, এদিকে বেবি। সব সামলে বাংলাদেশের যেকোনো জায়গা থেকে করতে পারব এমন কিছু করতে চেয়েছিলাম।

পরে অনলাইনে কিছু করব সেই চিন্তাই মাথায় এলো। তবে কাজ করতে চেয়েছিলাম প্রথমে ফ্রিল্যান্সিং এ।পরে দেখি ওটা ভালো লাগেনা। কিভাবে যেন গহনার কথা মাথায় এলো তবে এগুলো মেক করা আমি কিছুই জানতাম না। তাই অনেকটা সময় দিলাম তা শেখার পেছনে। হাসবেন্ডের কাছ থেকে কিছু টাকা নিলাম পরিমাণ টা বেশিনা মাত্র দশহাজার দিয়েই শুরু করলাম।
সেল আপডেট :
জুন থেকে হিসাব করলে আমার সেল হয়েছে ৩,০০০০০(তিন লাক্ষ) লাখ প্রায়।
এখন আমি অনেক খুশি। যখন নতুন একটা ডিজাইনের গহনা মেক করি আমার খুব আনন্দ হয়।
আমি চাকরি করা অবস্থায় থেকেও এখন অনেক খুশি।

দেশের চাষ করা রিয়েল মুক্তা আমার সিগনেচার প্রডাক্ট। খুব সাড়া পাচ্ছি এইটাতেও। আমি আমাদের দেশেই চাষ করা মুক্তা দেশের বাইরে ছড়িয়ে দিতে চাই।


এখন আমার দুইটা বেবি বড়টা তিন বছর প্লাস, ছোটটা চার মাস প্লাস। বেবিদের সময় দিচ্ছি সংসার সামলাচ্ছি হাসবেন্ডের সাথে থেকে নিজের স্বপ্নের পথে এগোচ্ছি যেন সবই পাচ্ছি।মোড়লগঞ্জ এর মত জায়গায় থেকে পুরো পৃথিবীর সাথে যোগাযোগ রাখতে পেরে আমি অনেক খুশি।
এর মধ্যে কানাডা, আমেরিকা, লন্ডন, অস্ট্রেলিয়া, ইউ কের মত ৭_৮ টা দেশে আমার হাতের তৈরি গহনা গিয়েছে। এই অল্প সময়ে এটা অনেক বড় পাওয়া।

শুধু আমেরিকাতেই দশ প্লাস কাস্টমার আমার। ব্যবসার উদ্দেশ্যে ও আমার হাতে তৈরি গহনা বিদেশে গিয়েছে এবং যাচ্ছে।
বড় বড় অর্ডার গুলোর পেছনে উইএর অবদান অনেক বেশি। উই থেকে আমি অনেক কিছু শিখেছি। ব্যবসার মূল শিক্ষাই উই দিয়েছে।
আমার হাতে তৈরি একটা ডিজাইন নীলপরী এই গয়নাটা একশত প্লাস সেল হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।


এখন আমার একটাই ইচ্ছা মেয়ে দেরকে স্বাবলম্বী করা অন্তত পাঁচটা মেয়ে কে কাজ শেখানো। আর পরবর্তীতে একটা শোরুম দেওয়া।
সবশেষে বারবার বলব আমার হাজবেন্ডের কথা। ওর অবদান অনেক বেশি। অনেক বেশি সাপোর্ট করে ও আমাকে। তাঁর সাহায্য ছাড়া কিছুই হতো না।তাই ওকে অনেক বেশি ধন্যবাদ।

পেজ লিংক – https://m.facebook.com/profile.php?id=111699333660150


S.Z.PRINCE

facebookhttps://web.facebook.com/S.Z.PRINCE

WhatsApp no. 01684722205

Magazine page: https://web.facebook.com/TSMEntrepreneursMagazine

আপনিও আপনার গল্প শেয়ার করতে চাইলে আমাকে ম্যাসেজ করতে পারেন।